বুধবার, ১৬ Jun ২০২১, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদঃ
শর্ত সাপেক্ষে অটোপাস পাচ্ছেন অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা পুলিশ ম্যাজিকের মতো সবকিছু করেছেন: পরীমণি দেশে জনসনের ভ্যাকসিনের অনুমোদন মাদারীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২,আহত ১ দেশে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নিয়েছেন ১ কোটি ৭৩ হাজার ৫১৪ জন রাষ্ট্রপতি কাজাখ রাজধানীতে ওআইসি সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যোগ দিবেন সবুজ-শ্যামল বাংলাদেশ আরো সবুজ হোক: প্রধানমন্ত্রী জয়পুরহাটে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু ৫০, শনাক্ত ৩৩১৯ মোংলা বন্দরে যুক্ত হচ্ছে মাল্টিপারপাস মোবাইল ক্রেন সংসদে হজ ও ওমরা ব্যবস্থাপনা বিল পাস বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিতে চাকরি পরীক্ষার স্থান, সময় ও প্রার্থীর তালিকা সাধারণ বীমা করপোরেশনের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে পরীমনিকে সাহায্য করেনি পুলিশ, প্রমাণ সিসিটিভি ফুটেজে ডিবি কার্যালয়ে পরীমনি
কবি ফররুখ আহমদের জন্মবার্ষিকী আজ

কবি ফররুখ আহমদের জন্মবার্ষিকী আজ

প্রখ্যাত কবি ফররুখ আহমদের জন্মবার্ষিকী আজ। তিনি ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সৈয়দ হাতেম আলী ছিলেন একজন পুলিশ ইন্সপেক্টর। মায়ের নাম রওশন আখতার।

১৯৪২ সালের নভেম্বর মাসে আপন খালাতো বোন সৈয়দা তৈয়বা খাতুন (লিলি)-এর সঙ্গে ফররুখ আহমদের বিয়ে হয়। তার নিজের বিয়ে উপলক্ষে ফররুখ ‘উপহার’ নামে একটি কবিতা লেখেন যা ‘সওগাত’ পত্রিকায় ছাপা হয়। ফররুখ আহমদের ছেলে-মেয়ে এগারো জন। তারা হলেন- সৈয়দা শামারুখ বানু, সৈয়দা লালারুখ বানু, সৈয়দ আবদুল্লাহল মাহমুদ, সৈয়দ আবদুল্লাহেল মাসুদ, সৈয়দ মনজুরে এলাহি, সৈয়দা ইয়াসমিন বানু, সৈয়দ মুহম্মদ আখতারুজ্জামান [আহমদ আখতার], সৈয়দ মুহম্মদ ওয়হিদুজ্জামান, সৈয়দ মুখলিসুর রহমান, সৈয়দ খলিলুর রহমান ও সৈয়দ মুহম্মদ আবদুহু।

তিনি ১৯৩৭ সালে খুলনা জিলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক এবং ১৯৩৯ সালে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে আইএ পাস করেন। পরে স্কটিশ চার্চ কলেজে দর্শন এবং ইংরেজি সাহিত্যে ভর্তি হলেও পরীক্ষা না দিয়েই তিনি কর্মজীবনে প্রবেশ করেন।

১৯৪৫ সালে মাসিক ‘মোহাম্মাদী’র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও স্থায়ীভাবে চাকরি করতেন ঢাকা বেতারে। ১৯৪২ সালের নভেম্বরে খালাতো বোন সৈয়দা তৈয়বা খাতুন লিলিকে বিয়ে করেন তিনি।

সাহিত্যের নানা শাখায় বিচরণ করলেও ফররুখ আহমদের কবি পরিচিত ছিল প্রধান। তার রচনায় ধর্মীয় ভাবধারার প্রভাব দেখা যায়।

এ ছাড়া আরবি ও ফারসি শব্দের প্রাচুর্য তার লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সাত সাগরের মাঝি, সিরাজুল মুনীর, নৌফেল ও হাতেম, মুহূর্তের কবিতা, পাখির বাসা, হাতেম তায়ী, নতুন লেখা, হরফের ছড়া, ছড়ার আসর ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য রচনা।

দেশের স্বনামধন্য এই কবি বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, স্বাধীনতা পুরস্কারসহ বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

তিনি ১৯৭৪ সালের ১৯ অক্টোবর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply




মালিকানা স্বত্ব © এমএমবি নিউজ ২৪- ২০২১
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।