বুধবার, ১৬ Jun ২০২১, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদঃ
শর্ত সাপেক্ষে অটোপাস পাচ্ছেন অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা পুলিশ ম্যাজিকের মতো সবকিছু করেছেন: পরীমণি দেশে জনসনের ভ্যাকসিনের অনুমোদন মাদারীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২,আহত ১ দেশে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নিয়েছেন ১ কোটি ৭৩ হাজার ৫১৪ জন রাষ্ট্রপতি কাজাখ রাজধানীতে ওআইসি সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যোগ দিবেন সবুজ-শ্যামল বাংলাদেশ আরো সবুজ হোক: প্রধানমন্ত্রী জয়পুরহাটে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু ৫০, শনাক্ত ৩৩১৯ মোংলা বন্দরে যুক্ত হচ্ছে মাল্টিপারপাস মোবাইল ক্রেন সংসদে হজ ও ওমরা ব্যবস্থাপনা বিল পাস বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিতে চাকরি পরীক্ষার স্থান, সময় ও প্রার্থীর তালিকা সাধারণ বীমা করপোরেশনের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে পরীমনিকে সাহায্য করেনি পুলিশ, প্রমাণ সিসিটিভি ফুটেজে ডিবি কার্যালয়ে পরীমনি
লকডাউনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সৈকতে দর্শনার্থীরা

লকডাউনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সৈকতে দর্শনার্থীরা

লকডাউনে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কক্সবাজারে সাগরতীরে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। তাদের অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। দর্শনার্থীরা বলছেন, ঈদ আনন্দ উপভোগে সৈকতে ছুটে এসেছেন। তবে টুরিস্ট পুলিশ বলছে, কড়াকড়ি না করে সৈকতে প্রবেশে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।

কক্সবাজার সৈকতের কবিতা চত্বর থেকে ডায়াবেটিক পয়েন্টে ঈদের দিন চোখে পড়ে উপচেপড়া ভিড়। লকডাউনের কারণে সৈকতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানছেন না কেউ।

সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে রয়েছে বিচ কর্মী ও টুরিস্ট পুলিশের কড়া পাহারা। অনেক দর্শনার্থী এই পাহারা অমান্য করে সৈকতে নেমে পড়ার চেষ্টা করছেন। আর যেসব পয়েন্টে নজরদারি নেই সেসব পয়েন্টে অবাধে যাতায়াত করছেন। তার ওপর মাস্ক ব্যবহার কিংবা সামাজিক দূরত্বের তোয়াক্কা করছেন না অনেকেই।

এক পর্যটক বলেন, ‘ঈদের সময় একটু বাড়তি আনন্দের জন্য কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে আসলাম। তবে আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সৈকতে বেড়াচ্ছি।’

আরেক পর্যটক বলেন, ‘অনেক দিন ধরে বাচ্চাদের নিয়ে কোথাও বের হওয়া যাচ্ছিল না। বাচ্চারাও কান্না করতেছে। তাই বাচ্চাদের নিয়ে সৈকতে বেড়াতে আসলাম।’

দর্শনার্থীদের সৈকতে নামতে নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি প্রতিটি পয়েন্টে টহল বাড়ানো হয়েছে বলে জানালেন কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. গোলাম কিবরিয়া।

এদিকে কক্সবাজার জেলা প্রসাশনের পর্যটন ও প্রটোকল শাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মুরাদ ইসলাম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানালেন, সৈকতে কেউ যাতে প্রবেশ করতে না পারে তার জন্য সমন্বয়ের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ে পহেলা এপ্রিল ফের লকডাউন আসে, এরপর বন্ধ হয়ে যায় সমুদ্রসৈকতসহ কক্সবাজারের পর্যটন কেন্দ্রগুলো।

শেয়ার করুন

Leave a Reply




মালিকানা স্বত্ব © এমএমবি নিউজ ২৪- ২০২১
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।