শুক্রবার, ২৩ Jul ২০২১, ০৯:২৮ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদঃ
কোরবানি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, আটক প্রধান শিক্ষক হংকং ক্রিকেটে দলের অধিনায়ক আইজাজ খান গ্রেফতার মাইন প্রতিরোধী গাড়ির প্রথম চালান ঢাকায় বিধিনিষেধ ভঙ্গ করে চলছে ফেরি, পায়ে হেঁটে ঢাকা আসছে মানুষ ১৮ বছর হলেই পাওয়া যাবে করোনার টিকা, সিদ্ধান্ত দ্রুতই টি-টোয়েন্টি সিরিজে সমতা ফেরালো জিম্বাবুয়ে বিধিনিষেধের প্রথম দিনে রাজধানীতে ৪০৩ জন গ্রেপ্তার বরগুনার দুই নারী কামারের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ আফগান বাহিনীকে সহযোগিতায় কয়েক দফা বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র : পেন্টাগন দ.আফ্রিকায় সহিংসতায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৭ পর্দা উঠল টোকিও অলিম্পিকের সন্তানকে রক্ষা করে মারা গেলেন মা পদ্মার পিলারে ফেরির ধাক্কা, তদন্ত কমিটি গঠন বিধিনিষেধ অমান্য: মালয়েশিয়ায় ২৫ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু ১৬৬, শনাক্ত ৬৩৬৪
বরগুনার পাথরঘাটায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাল আত্মসাতের অভিযোগ

বরগুনার পাথরঘাটায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাল আত্মসাতের অভিযোগ

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আকন মো. সহিদের বিরুদ্ধে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জেলে তালিকায় এক জেলের নাম একাধিকবার দিয়ে তিনি চাল আত্মসাৎ করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মা ইলিশ আহরণে বিরত থাকা জেলের মধ্যে ভিজিএফ চাল বিতরণের জন্য বিশেষ ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় গত ২৫ মার্চ কালমেঘা ইউনিয়নের ৬৯৫ জেলের মাঝে প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে ২ মাসে ৮০ কেজি চাল প্রদান করে সরকার। চাল বিতরণের তালিকা ও মাস্টাররোল ঘেটে দেখা গেছে, ওই ইউনিয়নের জেলেদের তালিকায় ৬৯৫ জনের নাম রয়েছে। এর মধ্যে ১৩টি নাম দুইবার করে। ওই ১৩টি নামের অনুকুলে ২ হাজার ৮০ কেজি চাল তালিকায় রয়েছে, এর মধ্যে তাদেরকে বিতরণ করা হয়েছে ১ হাজার ৮০ কেজি। এতে দেখা গেছে, ১ হাজার ৪০ কেজি চাল বিতরণ না করে ওই চেয়ারম্যান তা আত্মসাৎ করেছেন।

এ ব্যাপারে দুইবার চাল বিতরণের তালিকায় নাম আসা জেলেরা বলেন, আমরা একবারই ৭০ কেজি চাল পেয়েছি। ১৬০ কেজি চাল আমাদের নামে তালিকায় আছে কিনা তা আমরা জানি না।

কালমেঘা ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, মাস্টাররোলে একটু ভুল আছে। বিতরণে একটু অনিয়ম হলেও দুর্নীতি হয়নি। বাকি চাল রাখা হয়েছে, এগুলো জেলেদের দেওয়া হবে। এতদিনেও কেন বিতরণ করা হয়নি—তা জানতে চাইলে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মকর্তা ট্যাগ অফিসার রবিন্দ্রনাথ হাওলাদার বলেন, কালমেঘায় ওই সময় ৬৯০ জন জেলের ৮০ কেজি করে চাল বরাদ্দ ছিল। আমার উপস্থিতিতে চেয়ারম্যান সবার মাঝে চাল বিতরণ করেছেন। একই ব্যক্তির নামে দুবার চাল দেওয়ার সুযোগ নেই। চেয়ারম্যান যদি এমনটা করে থাকেন তাহলে ভুল করেছেন।

পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হুমায়ূন কবিরের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সূত্রঃ প্রতিদিনের সংবাদ

শেয়ার করুন

Leave a Reply




মালিকানা স্বত্ব © এমএমবি নিউজ ২৪- ২০২১
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।