সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদঃ
আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে রাজাপুর উপজেলায় সদস্য পদে জমজমাট প্রচারণা আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ পঞ্চগড়ে ট্রলারডুবি: মৃত বেড়ে ২৫ সান্তাহারে এ্যাম্পলসহ যুবক গ্রেপ্তার ১ কড়া নাড়ছে দুর্গাপূজা, শেষ সময়ে বগুড়ায় তুলির রঙে রঙিন হচ্ছে প্রতিমা বগুড়ায় ৩৫০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার- ২ মাহমুদুল হাসান সোহাগের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরন আজ আমার শেষ দিন এই দেশে, ফেসবুক স্ট্যাটাস লিখে যুবকের আত্মহত্যা মুন্সীগঞ্জে যুবদল কর্মী শাওন নিহতের প্রতিবাদে বগুড়ায় বিক্ষোভ সমাবেশ এবার দুর্গাপূজা ৩২১৬৮ মণ্ডপে কোভিডে আরও ৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩৫০ সরকারি ব্রজমোহন কলেজ মহাত্না অশ্বীনি কুমার (ডিগ্রি) হলে বড় দূর্ঘটনা আতংকে শিক্ষার্থীরা শিল্পীর তুলির টানে ফুটে উঠছে দেবী দুর্গার রূপ!! বগুড়ায় কাঁচাবাজারে অভিযানে চার ব্যবসায়ীর জরিমানা পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে সান্তাহারে বিএনপি’র সমাবেশ পাশবিকতা হাত থেকে রক্ষা পেল না প্রতিবন্ধী কিশোরী হাজরে আসওয়াদ: যেভাবে সাদা পাথর কালো হলো বহুমাত্রিক সম্পর্কের রোল মডেল ভারত-বাংলাদেশ ফুটবলে এবার বাংলাদেশের ছেলেদের দুর্দান্ত সাফল্য রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মহান শিক্ষা দিবস

আজ ১৭ সেপ্টেম্বর মহান শিক্ষা দিবস। দিবসটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে ১৯৬২ সালের রক্তাক্ত স্মৃতিবিজড়িত ছাত্র জনতার গণআন্দোলনের ইতিহাস। দীর্ঘ ৬০ বছর আগে পাকিস্তানি শাসন, শোষণ ও শিক্ষা সংকোচন নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে শহীদ হন ওয়াজিউল্লাহ, গোলাম মোস্তফা, বাবুলসহ নাম না-জানা অনেকেই। তাদের স্মরণেই এই দিনকে শিক্ষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

তৎকালীন সময়ে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের ওপর বৈষম্যমূলক শিক্ষানীতি চালু করে। সে সময়ের শিক্ষানীতি অনুযায়ী, তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা চালু করতে চেয়েছিল শুধু ধনীশ্রেণির জন্য।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে রাজনীতি নিষিদ্ধের পাশাপাশি বাংলা বর্ণমালা সংস্কারেরও প্রস্তাব করা হয়েছিল। ভাষার পর শিক্ষানীতিতে এমন বৈষম্যমূলক আচরণ মেনে নিতে পারেনি বাঙালি তরুণ ছাত্রসমাজ।

পাকিস্তান সরকারের এ শিক্ষানীতির বিরোধিতা করে ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সারাদেশে হরতাল পালনের ঘোষণা দেয় তৎকালীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ।

সেদিনের সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবেশে হাজার হাজার মানুষ মিছিল করে। মিছিলকে প্রতিহত করতে পুলিশ লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ ও গুলিবর্ষণ করেছিল।

এই ঘটনায় ৩ জন নিহত, ৭৩ জন আহত ও ৫৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়। যদিও মনে করা হয় রক্তাত সেই মিছিলে প্রাণ হারিয়েছিল নাম না-জানা আরও অনেকেই।

সে সময় সাক্ষরতার হার কম থাকলেও বাঙালি সমাজ চেয়েছিল পরবর্তী সমাজ যেন শিক্ষিত হয়ে ওঠে। তাই শিক্ষানীতির এমন বৈষম্য ও বাধা মেনে নিতে পারেনি দরিদ্র বাঙালি সমাজ। তাই নানা বাধা সত্ত্বেও শিক্ষার জন্য রক্ত দিয়ে পাকিস্তানিদের কুখ্যাত শিক্ষানীতি বাতিল করতে সমর্থ হয়েছিল অদম্য বাঙালি সমাজ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply




মালিকানা স্বত্ব © এমএমবি নিউজ ২৪- ২০২১
ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়াও ব্যবহার করা যাবে। তবে সূত্র এমএমবি নিউজ ২৪ দেয়ার অনুরোধ রইল।
 
বাংলা English